বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বর্তমান প্রজন্মের ভাবনা – প্রফেসর ড. আবদুল খালেক

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বর্তমান প্রজন্মের ভাবনা – প্রফেসর ড. আবদুল খালেক

Professor Dr. Abdul Khaleque (প্রফেসর ড. আবদুল খালেক)

বাংলাদেশে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। নানা জল্পনা-কল্পনা, হতাশা-নিরাশার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলা ২৫ বৈশাখ ১৪২২, ইংরেজি ৮ মে ২০১৫ সালে রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। রবীন্দ্রভক্ত প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে দিনটি চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। রবীন্দ্রনাথের কাছে বাঙালি জাতির ঋণের শেষ নেই। রবীন্দ্রনাথের প্রতিটি কবিতা, প্রতিটি গান আমাদের প্রেরণার উৎস। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম রবীন্দ্র জন্মোৎসব উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির উদ্দেশ্যে যে বাণী দিয়েছিলেন সে বাণী পাঠ করলে উপলব্ধি করা যায় রবীন্দ্রনাথের প্রতি বঙ্গবন্ধু কত বেশি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। বঙ্গবন্ধু বলেছেন- “বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে লক্ষ লক্ষ প্রাণ ও অপরিমেয় ত্যাগের বিনিময়ে। কিন্তু সত্য, শ্রেয়, ন্যায় ও স্বাজাত্যের যে চেতনা বাঙালি কবিগুরুর কাছ থেকে লাভ করেছে, আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রামে তারও অবদান অনেকখানি। বাঙালির সংগ্রাম আজ সার্থক হয়েছে। বাঙালি তার বুকের রক্ত দিয়ে রবীন্দ্র অধিকারকে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছে।” (সূত্র : দৈনিক বাংলা, সোমবার, ৮ মে, ১৯৭২) বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগের ফলেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি” গানটি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর আকাক্সক্ষা এবং জাতির আকাক্সক্ষা মিশে একাকার হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় তিনি স্থাপন করবেন। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে সে সুযোগ দেয় নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখে ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘ ৩০ বছর এদেশের শাসন ক্ষমতায় ছিলেন জেনারেল জিয়া, জেনারেল এরশাদ এবং বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে যাঁরা বিভিন্ন সময় রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন, বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কথা তাঁরা কখনও ভাবেন নি। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবার পরপরই বাংলাদেশে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি সামনে চলে আসে। ২০০৯ সালের গোড়ার দিকে “সাজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়” শীর্ষক আমার একটি লেখাকে কেন্দ্র করেই সম্ভবত বাংলাদেশে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি সুধী মহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত হতে থাকে। রবীন্দ্রনাথের প্রতি বঙ্গবন্ধুর যে অকৃত্রিম শ্রদ্ধাবোধ ছিল, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার মধ্যেও রবীন্দ্রনাথের প্রতি সেই অকৃত্রিম শ্রদ্ধা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সেই অকৃত্রিম শ্রদ্ধাবোধের কারণেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের যাবতীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছেন। প্রসঙ্গক্রমে একটি কথা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলা যায় শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় না এলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং অপরাধীদের শাস্তি কার্যকর যেমন হতো না, তেমনি শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত না হলে বাংলাদেশে কোনক্রমেই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হতো না।

রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত শাহজাদপুরে প্রতি বছর সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহা আড়ম্বরে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালিত হয়ে থাকে। অনুষ্ঠান চলে তিন দিন ধরে। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন প্রতি বছর একটি স্মরণিকা প্রকাশ করে থাকে। এ বছরও ১৫৬তম রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকীতে স্মরণিকা প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত স্মরণিকায় প্রকাশের জন্য আমার কাছে একটি লেখা চাওয়া হয়েছিল। শাহজাদপুর যেহেতু আমার প্রিয় জন্মস্থান এবং রবীন্দ্রনাথের প্রতি আমার বিশেষ দায়বদ্ধতা আছে, নানা ব্যস্ততার মধ্যেও “রবীন্দ্র মনোজগতে লোকসাহিত্য ও লোকসঙ্গীতের বিস্তার” শিরোনামে আমি একটি লেখা পাঠিয়েছিলাম। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয় লেখাটি স্মরণিকায় ছাপানো হবে এবং শাহজাদপুরে ২৭ বৈশাখের অনুষ্ঠানে আমাকে লেখাটি উপস্থাপন করতে হবে।

বুঝতে পারলাম ২৭ বৈশাখের অনুষ্ঠানে শাহজাদপুরে গেলেই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমাকে নানা প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হবে, কারণ আমি ‘শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটি’র আহ্বায়ক। ভাবলাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে পারলে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতো। জরুরি ভিত্তিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে যখন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়টি উত্থাপন করি, তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন- “পার্লামেন্টে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয়ে গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করতে আর তো কোন অসুবিধা থাকবার কথা নয়।” রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠন-পাঠন শুরু করতে আর যে কোন বাধা নেই বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত গেজেটটির দিকে দৃষ্টি দিলেই তা পরিষ্কার হয়ে যায়। গেজেটে স্পষ্ট উল্লেখ আছে- “সংসদ কর্তৃক গৃহীত আইনটি ১১ শ্রাবণ ১৪২৩ মোতাবেক ২৬ জুলাই ২০১৬ তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করিয়াছে।” ২০১৬ সনের ৩০ নং আইনে স্পষ্ট উল্লেখ আছে- “উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসরমান বিশ্বের সহিত সঙ্গতি রক্ষা ও জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা এবং বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের ¯্রষ্টা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টিকে এদেশের মানুষের স্মৃতিতে চিরঅম্লান রাখিবার লক্ষ্যে তাঁহার স্মৃতি বিজড়িত সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে বিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে প্রণীত আইন। এই আইন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ আইন, ২০১৬ নামে অভিহিত হইবে।”

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্থান নির্ধারণের বিষয়টি খুব সহজ ছিল না। দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে নানা রকম আলোচনা-পর্যালোচনা হয়। নানাদিক চিন্তা-ভাবনা করেই সরকার শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আমরা জানি শাহজাদপুরের চারপাশে অবস্থিত সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, নওগাঁ এবং নাটোর জেলায় কোন সরকারি তথা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নেই। এই বিশাল অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে তুলনামূলকভাবে বেশি আগ্রহী হবে, তাতে কোন রকম সন্দেহ নেই। শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত খবর নিচ্ছে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কার্যক্রম কখন শুরু হবে।

আমার জানামতে রবীন্দ্রনাথের নিজস্ব খাসজমিতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার কথা। রবীন্দ্রনাথের খাস জমিগুলো নিচু এলাকায় অবস্থিত। জায়গা ভরাট এবং ভবন তৈরিতে বেশ সময় লাগবে। সে ক্ষেত্রে রবীন্দ্র কাছারি বাড়ির বিশাল অডিটরিয়াম, শাহজাদপুর সরকারি কলেজ এবং বেসরকারি কলেজগুলোর যে ভবনগুলো রয়েছে, সেখানেই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নেও এমনটাই করা হয়েছিল।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ৪ নং ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে-
“ক. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও দর্শন, সাহিত্য ও সঙ্গীত এবং বিশ্ব সংস্কৃতি বিষয়ে অধ্যয়ন ও গবেষণা করা।
খ. কলা, সঙ্গীত ও নৃত্য, চারুকলা, সামাজিক বিজ্ঞান, কৃষি ও সমবায়, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেকনোলজি এবং অনুষদের বিভিন্ন বিভাগে নতুন নতুন শাখার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষাদান, গবেষণা, জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন ও জ্ঞান বিতরণের ব্যবস্থা করা।”

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন-পাঠনের বিষয়সমূহের দিকে দৃষ্টি দিলে পরিষ্কার ধারণা জন্মে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত গতানুগতিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে উল্লিখিত প্রশাসনিক অবকাঠামোর দিকে তাকালে দেখা যায় মাননীয় চ্যান্সেলর কর্তৃক নিয়োজিত মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরই হবেন বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল চালিকাশক্তি। আইনের ১০(১) ধারায় বলা হয়েছে- “চ্যান্সেলর তদকর্তৃক নির্ধারিত শর্তে একজন অধ্যাপককে চার বছর মেয়াদের জন্য ভাইস চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ দান করিবেন।” আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যাপক এখন একটি সহজলভ্য পদ। পরিসংখ্যান নিলে দেখা যাবে পুরাতন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় অর্ধেক শিক্ষকই এখন অধ্যাপক পদে অধিষ্ঠিত আছেন। দেশে অধ্যাপকের অভাব নেই, কিন্তু দক্ষ, উচ্চমানসম্পন্ন খ্যাতিমান অধ্যাপকের যে সংকট দেখা দিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের ক্ষেত্রে তা বিশেষভাবে অনুভূত হচ্ছে। যে কারণে আমরা লক্ষ্য করছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সহ আরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ ভাইস চ্যান্সেলরদেরকে পর পর দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর যাঁকে করা হবে, আশা করা যায় দেশ জুড়ে তাঁর সুখ্যাতি থাকবে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় তাঁর সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকবে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় আইনে প্রজেক্ট ডাইরেক্টর নিয়োগের কোন বিধি আমার চোখে পড়ে নি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে কোন প্রজেক্ট ডাইরেক্টর ছিল না, ড. জুবেরীকে সরাসরি ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ দান করা হয়েছিল। এটাই উত্তম পথ।

একজন প্রজেক্ট ডাইরেক্টরের যোগ্যতা এবং একজন ভাইস-চ্যান্সেলরের যোগ্যতা একরকম হবার কথা নয়। যদি একজন প্রজেক্ট ডাইরেক্টরের মাধ্যমে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করা হয় তাহলে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠতে পারে।

আমার প্রবন্ধের শিরোনামে নতুন প্রজন্ম বলতে আমি মূলত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকেই বোঝাতে চেয়েছি। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় প্রায় হয়ে এলো। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের চেষ্টা চালাতে থাকবে। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষাব্যবস্থায় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তারা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইবে, এটাই স্বাভাবিক। দেশের উত্তরাঞ্চলে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের সকল অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে। শিক্ষার্থীদের মুখের দিকে তাকিয়ে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করবার জন্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমি সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।


Share this post in your social media

© VarsityNews24.Com
Developed by TipuIT.Com