সোমবার, ২১ Jun ২০২১, ০৬:৫১ অপরাহ্ন

ঢাবিতে ‘বাঙ্গালী সংস্কৃতির চর্চাই রুখতে পারে জঙ্গীবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও মানববন্ধন

ঢাবিতে ‘বাঙ্গালী সংস্কৃতির চর্চাই রুখতে পারে জঙ্গীবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও মানববন্ধন

ঢাবি প্রতিনিধি : চেতনা পরিষদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্টস এন্টি স্মোকিং কমিটি : সাস্ক (বিশ্বের প্রথম ধূমপান ও মাদক বিরোধী ছাত্র সংগঠন, ১৯৮৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত)-এর আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসু ক্যাফেটেরিয়া কক্ষে ২৯ জুলাই ২০১৬ বিকেল ৫টায় ‘বাঙ্গালী সংস্কৃতির চর্চাই রুখতে পারে জঙ্গীবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অপরাজেও বাংলার সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ আখতারুজ্জামান। প্রধান আলোচক ছিলেন এন আর বি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সাস্ক এর উপদেষ্টা নিজাম চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন তামাক মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী জোট: ক্যাট এর সভাপতি ও সাস্ক এর প্রতিষ্ঠাতা, ঢাবি এলামনাই নিউজ সম্পাদক আলী নিয়ামত, টেলিভিশন ও চলচিত্র শিক্ষা বিভাগ, ঢাবির অধ্যাপক এজেএম সফিউল আলম ভূঁইয়া, আইকে সেলিম উল্ল্যাহ খন্দকার, সভাপতি বাংলাদেশ বিসিএস শিক্ষক সমিতি, আনসারের উপমহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) ড. ফোরকান উদ্দিন আহমেদ। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান রনি, উপস্থিত ছিলেন ক্যাটের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন ও সদস্য খন্দকার শাফায়েদ হোসন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাস্ক এর সভাপতি এস এম নাহিদ হাসান নয়ন এবং সভাপতিত্ব করেন চেতনা পরিষদের সভাপতি জাহিদ সোহেল। বক্তারা সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলে বাঙ্গালী সংস্কৃতি গ্রাম, গঞ্জসহ দেশব্যাপি ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান। প্রধান অতিথি ঢাবি উপ-উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, চেতনা পরিষদ ও সাস্ক যে জঙ্গী বিরোধী কার্যক্রম শুরু করেছে এর সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব সময়ই পাশে থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন পর্যন্ত একজন জঙ্গীও নেই, আমরা এভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকলে ভবিষ্যতেও একজন জঙ্গীও থাকতে পারবে না। আলী নিয়ামতের নেতৃত্বে ১৯৮৬ সালে সাস্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই প্রথম ধূমপান মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, এটা গর্বের বিষয়। চেতনা পরিষদের মানবিক কার্যক্রমগুলোও প্রশংসার দাবী রাখে। প্রধান আলোচক নিজাম চৌধুরী বলেন, চেতনা পরিষদ ও সাস্ক এর কার্যক্রমে সহয়তা প্রদান করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী কার্যক্রমে সাস্ক বিশ্বের প্রথম সংগঠন হিসেবে বিশ্বব্যাপি স্বীকৃত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে জঙ্গী নির্মূল করবোই করবো। তারই ডাকে দীর্ঘ ৩০ বছর পর দেশে ফিরেছি। আমি ঢাবির একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তাই আমারও দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে সাস্ক এবং চেতনা পরিষদকে এগিয়ে নেবার। সাস্ক প্রতিষ্ঠাতা আলী নিয়ামত বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৫২ এবং ৭১এ জাতিকে পথ দেখিয়েছে, এবার জঙ্গী নির্মূলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই আবার পথ দেখাচ্ছে। উল্লেখ্য, আলোচনা অনুষ্ঠান ও জঙ্গী বিরোধী মানববন্ধনে চেতনা পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাংবাদিক ও আলোকচিত্রী না আশায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিটিভির মহাপরিচালক ও বার্তা পরিচালকের অপসারন দাবী করা হয়।


Share this post in your social media

© VarsityNews24.Com
Developed by TipuIT.Com