রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

হিউম্যান রাইটস প্রোগ্রামে বিচারপতি নাঈমা হায়দার

হিউম্যান রাইটস প্রোগ্রামে বিচারপতি নাঈমা হায়দার

সমস্ত পৃথিবী জুড়েই মানবাধিকার ভূলুন্ঠিত হচ্ছে- তাই মানুষের মানবাধিকার রক্ষার জন্য আমাদের এখনই সোচ্চার হতে হবে

ডিআইইউ প্রতিনিধি : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘ইন্টারন্যাশনাল সামার স্কুল অব হিউম্যান রাইটস’ অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ প্রদানের মাধ্যমে সমাপনী পর্ব শেষ হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাঈমা হায়দার। সম্মানিত অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুব-উল হক মজুমদার। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ সিসিলির কনসাল মো. আমিরুজ্জামান ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব। ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর প্রেসিডেন্ট লে.জে. (অব) এম নুরউদ্দিন খানের সভাপতিত্ত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নলেজ স্টিজের প্রতিষ্ঠাতা ও গ্যালগোটিয়া ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক নীতেশ কুমার উপাধ্যায়, ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) ব্যারিস্টার রিজওয়ানা ইউসুফ প্রমুখ। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) ও ভারতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নলেজ স্টিজ-এর সম্মিলিত আয়োজনে গত ১-৫ জুলাই ড্যাফেডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এ সামার প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীরা এই পাঁচ দিনে মানবাধিকার বিষয়ক বিভিন্ন কর্মশালা ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি নাঈমা হায়দার বলেন, মানবাধিকার শুধু নারী-শিশু,হিন্দু- মুসলিম বা বৌদ্ধ- খ্রীষ্টানের জন্যও নয়। মানবাধিকার সব মানুষের জন্য প্রয়োজন। সাদা, কালো, লম্বা, খাটো, ধনী, গবীর নির্বিশেষে সমস্ত শ্রেণি পেশার মানুষের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য আমাদের সোচ্চার হতে হবে। কারণ সমস্ত পৃথিবী জুড়েই মানবাধিকার ভূলুন্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিচারক নাঈমা হায়দার বলেন, তোমাদের ওপরই নির্ভর করেছ পৃথিবীর ভবিষ্যৎ। তোমরা যদি মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হও তাহলেই একটি মানবিক পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এই পাঁচদিনে তোমরা যা শিখলে তা ভবিষ্যৎ জীবনে প্রয়োগ করবে বলে আমি আশা রাখি।

সভাপতির বক্তব্যে লে.জে. (অব) এম নুরউদ্দিন খান বলেন, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে মানবাধিকার বিষয়ক সামার প্রোগ্রামের আয়োজন করতে পেরে ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) গর্ববোধ করছে। আগামীতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ আয়োজন করা হবে। এসময় তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও নলেজ স্টিজকে ধন্যবাদ জানান এমন একটি আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য। লে.জে. (অব) এম নুরউদ্দিন খান আরো বলেন, তরুণদেরকে মানবাধিকার সম্পর্কে সঠিক ধারনা দিতে হবে। কারণ তাদের ওপরই নির্ভর করছে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ। আগামীতে তারাই নেতৃত্ব দেবে পৃথিবীর। তাই তরুণদের মানবাধিকারের শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে।


নিউজটি অন্যকে শেয়ার করুন...

আর্কাইভ

business add here
© VarsityNews24.Com
Developed by TipuIT.Com