বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০১:৪৭ অপরাহ্ন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বধ্যভূমি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বধ্যভূমি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

রাবি প্রতিনিধি : ৩০ মার্চ ২০১৬ রাবি সাবেক উপাচার্য ও এনবিআইইউ’র বর্তমান উপাচার্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আবদুল খালেকের ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বধ্যভূমি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার মুক্তমঞ্চে শহীদ জায়া অধ্যাপিকা মাসতুরা খানম ও চম্পা সমাদ্দার বইটির মোড়ক উন্মোচন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এসময় এইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন- বর্তমান প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধে সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। এজন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে যে সব বীর শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা সোনার বাংলা পেয়েছি তাদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হবে। প্রফেসর ড. আবদুল খালেক ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বধ্যভূমি’ নামে যে বইটি লিখেছেন তা অসাধারণ বই। এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ইতিহাস রচনা করেছে। এজন্য তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বইটি মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সঠিক ইতিহাস জানার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি মনে করেন। লেখক প্রফেসর ড. আবদুল খালেক তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমির স্মৃতি ফলক বির্নিমাণের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে শহীদ জায়া মাসতুরা খানম এবং চম্পা সমাদ্দারের হাতে তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের উদ্যোগে বধ্যভূমিতে যে স্মৃতিফলকটি স্থাপিত হয়েছিল, সেটাকেই মূল স্মৃতিফলক হিসেবে গণ্য করলে শহীদ জায়াদের প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন করা হতো। শিবিরের সন্ত্রাসীদের হাতে ১৯৯৭ সালের স্মৃতিফলকটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে আমরা ১৯৯৮ সালে সেটি পুনস্থাপন করেছিলাম। ১৯৯৮ সালে পুনঃস্থাপিত স্মৃতিফলকটি যদি পরবর্তীতে শিবিরের সন্ত্রাসীদের হাতে বিনষ্ট হয়ে থাকে, সেটি আবার পুনঃস্থাপিত হতে পারতো, যেমনটি আমরা ১৯৯৮ সালে করেছিলাম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমি থেকে শহীদ জায়াদের নামগুলো একেবারে মুছে ফেলা সমীচীন হয় নি। তিনি বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব করে বলেন- শহীদ জায়া মাসতুরা খানম এবং চম্পা সমাদ্দার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমিতে স্মৃতি ফলকের যে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সেটি অবিলম্বে পুনঃস্থাপনের ব্যবস্থা করা হোক।


Share this post in your social media

© VarsityNews24.Com
Developed by TipuIT.Com